• কারাবন্দী সাংবাদিক মনজুরুল আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান আরএসএফের

    সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী সাংবাদিক মনজুরুল আলমকে (পান্না) অবিলম্বে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা বৈশ্বিক সংগঠনটি বলেছে, মনজুরুল আলমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আনা ‘মিথ্যা অভিযোগ’ অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে।

    মঙ্গলবার আরএসএফের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনজুরুল আলম ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন। গত ২৯ আগস্ট ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে আয়োজিত একটি গোলটেবিল বৈঠকে তাঁকে কথা বলার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    কারাবন্দী সাংবাদিক মনজুরুল আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান আরএসএফের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী সাংবাদিক মনজুরুল আলমকে (পান্না) অবিলম্বে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা বৈশ্বিক সংগঠনটি বলেছে, মনজুরুল আলমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আনা ‘মিথ্যা অভিযোগ’ অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে। মঙ্গলবার আরএসএফের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনজুরুল আলম ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন। গত ২৯ আগস্ট ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে আয়োজিত একটি গোলটেবিল বৈঠকে তাঁকে কথা বলার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 828 Views 0 önizleme
  • ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মানচিত্রের গ্রাফিতি আলোচনায়, 'কল্পনাপ্রসূত' বলছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়

    বাংলাদেশ সফররত পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যানের সাথে দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের একটি ছবি ঘিরে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে নানা আলোচনা দেখা যাচ্ছে।

    সাক্ষাতের সময়ের অধ্যাপক ইউনূস পাকস্তানি জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার হাতে একটি স্মারক তুলে দিচ্ছেন, যাতে একটি মানচিত্র দেখা যাচ্ছে - আর সে মানচিত্রে 'ভারতীয় ভূখণ্ডের একটি অংশকে বাংলাদেশের মধ্যে অর্ন্তভুক্ত করে দেখানো হচ্ছে' বলে দাবি করা হচ্ছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।

    গত দুই দিনে ইন্ডিয়া টুডেসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের প্রেস উইং থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

    এতে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবিকে 'সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত' বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
    ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মানচিত্রের গ্রাফিতি আলোচনায়, 'কল্পনাপ্রসূত' বলছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বাংলাদেশ সফররত পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যানের সাথে দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের একটি ছবি ঘিরে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে নানা আলোচনা দেখা যাচ্ছে। সাক্ষাতের সময়ের অধ্যাপক ইউনূস পাকস্তানি জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার হাতে একটি স্মারক তুলে দিচ্ছেন, যাতে একটি মানচিত্র দেখা যাচ্ছে - আর সে মানচিত্রে 'ভারতীয় ভূখণ্ডের একটি অংশকে বাংলাদেশের মধ্যে অর্ন্তভুক্ত করে দেখানো হচ্ছে' বলে দাবি করা হচ্ছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে। গত দুই দিনে ইন্ডিয়া টুডেসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের প্রেস উইং থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবিকে 'সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত' বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 825 Views 0 önizleme
  • জুলাই সনদ সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে?

    জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে 'নতুন বাংলাদেশের সূচনা করলাম' বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। কিন্তু এই জুলাই সনদ সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে, সেই প্রশ্ন সামনে আসছে।

    রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রায় আট মাস ধরে কয়েক ধাপে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক বৈঠকের পর চূড়ান্ত করে জুলাই জাতীয় সনদ। শুক্রবার সেই সনদে সাক্ষর করেছে রাজনৈতিক দলগুলো।

    এই সনদে সংবিধান, নির্বাচন ও বিচার ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমনসহ বেশ কিছু সংস্কারের সুপারিশমালা রয়েছে। তবে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর যে জুলাই সনদ চূড়ান্ত হয়েছে সেখানে শ্রমিক অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, নারীর অধিকার নিয়ে তেমন কিছুই নেই বলে মনে করছেন অনেকেই।

    স্বাভাবিকভাবে জুলাই সনদ নিয়ে মানুষের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকাংশেই পূরণ হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
    জুলাই সনদ সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে? জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে 'নতুন বাংলাদেশের সূচনা করলাম' বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। কিন্তু এই জুলাই সনদ সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে, সেই প্রশ্ন সামনে আসছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রায় আট মাস ধরে কয়েক ধাপে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক বৈঠকের পর চূড়ান্ত করে জুলাই জাতীয় সনদ। শুক্রবার সেই সনদে সাক্ষর করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। এই সনদে সংবিধান, নির্বাচন ও বিচার ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমনসহ বেশ কিছু সংস্কারের সুপারিশমালা রয়েছে। তবে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর যে জুলাই সনদ চূড়ান্ত হয়েছে সেখানে শ্রমিক অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, নারীর অধিকার নিয়ে তেমন কিছুই নেই বলে মনে করছেন অনেকেই। স্বাভাবিকভাবে জুলাই সনদ নিয়ে মানুষের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকাংশেই পূরণ হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 865 Views 0 önizleme
  • ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের চেয়ে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেশি, এত বাড়ার কারণ কী?
    স্বর্ণের দাম সব দেশেই বাড়ছে; তবে পাশের দেশ ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের তুলনায় দাম বেশি বাংলাদেশে। দুই বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশে এই ধাতুর মূল্য বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতার কারণ কী? এর দাম কি কমতে পারে, নাকি আরো বাড়বে? অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশে স্বর্ণের দামে তফাৎ কতটা?

    এমন নানা বিষয় ঘুরেফিরে আসছে মানুষের মনে।

    ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রথমবারের মতো প্রতি ট্রয় আউন্স (৩১.১০ গ্রাম) চার হাজার দুইশ ডলারের ঘরে পৌঁছায়।
    বিশ্ব বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্বর্ণের দাম বেড়েছে বাংলাদেশেও। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম লাখের ঘরে পৌঁছায়।

    দুই বছরের ব্যবধানে ২০২৫ এর অক্টোবরে হয়েছে দুই লাখের বেশি, যা বর্তমানে ভরি প্রতি দুই লাখ ১৬ হাজার ৩৩৩ টাকা।

    খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে স্বর্ণের দাম নিবিড়ভাবে যুক্ত। অর্থাৎ যুদ্ধ কিংবা অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দামে এক ধরনের প্রভাব পড়ে।

    আর এ কারণেই করোনার পর, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অর্থনৈতিক অস্থিরতা চলমান থাকায় স্বর্ণের দাম আর কমেনি।

    তবে আশপাশের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেছনে সরকারের নীতির দুর্বলতা, ডলারের বিপরীতে টাকার মানের পতন এবং ব্যবসায়ীদের মুনাফা করার প্রবণতাকেও দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এদিকে, দাম বেড়েছে বলেই যে ঢালাওভাবে এর চাহিদা কমেছে বিষয়টি এমনও নয়।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আপদকালীন সম্পদ হওয়ায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যক্তিখাতের বড় বিনিয়োগকারিরা স্বর্ণ ক্রয় এবং সংরক্ষণ বাড়িয়ে দেন যা বিশ্বে এই ধাতুর চাহিদা ও প্রাপ্যতার মধ্যে অসামঞ্জস্য পরিস্থিতি তৈরি করে।

    তবে এক্ষেত্রে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের স্বর্ণ কেনার সুযোগ বা প্রবণতা অনেক কমে আসছে বলেও মনে করেন তারা।
    ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের চেয়ে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেশি, এত বাড়ার কারণ কী? স্বর্ণের দাম সব দেশেই বাড়ছে; তবে পাশের দেশ ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের তুলনায় দাম বেশি বাংলাদেশে। দুই বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশে এই ধাতুর মূল্য বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতার কারণ কী? এর দাম কি কমতে পারে, নাকি আরো বাড়বে? অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশে স্বর্ণের দামে তফাৎ কতটা? এমন নানা বিষয় ঘুরেফিরে আসছে মানুষের মনে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রথমবারের মতো প্রতি ট্রয় আউন্স (৩১.১০ গ্রাম) চার হাজার দুইশ ডলারের ঘরে পৌঁছায়। বিশ্ব বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্বর্ণের দাম বেড়েছে বাংলাদেশেও। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম লাখের ঘরে পৌঁছায়। দুই বছরের ব্যবধানে ২০২৫ এর অক্টোবরে হয়েছে দুই লাখের বেশি, যা বর্তমানে ভরি প্রতি দুই লাখ ১৬ হাজার ৩৩৩ টাকা। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে স্বর্ণের দাম নিবিড়ভাবে যুক্ত। অর্থাৎ যুদ্ধ কিংবা অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দামে এক ধরনের প্রভাব পড়ে। আর এ কারণেই করোনার পর, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অর্থনৈতিক অস্থিরতা চলমান থাকায় স্বর্ণের দাম আর কমেনি। তবে আশপাশের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেছনে সরকারের নীতির দুর্বলতা, ডলারের বিপরীতে টাকার মানের পতন এবং ব্যবসায়ীদের মুনাফা করার প্রবণতাকেও দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, দাম বেড়েছে বলেই যে ঢালাওভাবে এর চাহিদা কমেছে বিষয়টি এমনও নয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আপদকালীন সম্পদ হওয়ায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যক্তিখাতের বড় বিনিয়োগকারিরা স্বর্ণ ক্রয় এবং সংরক্ষণ বাড়িয়ে দেন যা বিশ্বে এই ধাতুর চাহিদা ও প্রাপ্যতার মধ্যে অসামঞ্জস্য পরিস্থিতি তৈরি করে। তবে এক্ষেত্রে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের স্বর্ণ কেনার সুযোগ বা প্রবণতা অনেক কমে আসছে বলেও মনে করেন তারা।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 818 Views 0 önizleme
  • বিশ্বের প্রতিটি দেশে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হয়, কারণ দাম নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দেশের শুল্ক একটি বড় ভূমিকা পালন করে।

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আমদানি ব্যয়ে সামঞ্জস্য রাখতে অনেক দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বর্ণ আমদানিকে উৎসাহিত করে না। তবে, আপদকালীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ঠিকই রিজার্ভ করে দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানিতে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে ২০১৮ সালে স্বর্ণ নীতিমালা করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তাতে তেমন সাড়া মেলেনি।

    তবে ব্যাগেজ বিধিমালা অনুযায়ী, বিদেশ থেকে একজন যাত্রী বছরে মোট ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের গয়না বিনা শুল্কে আনতে পারেন।

    এছাড়া বছরে একবার ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি মাত্র স্বর্ণের বার আনতে পারবেন একজন যাত্রী। তবে এক্ষেত্রে প্রতি ভরিতে (১ ভরি = ১১.৬৬ গ্রাম) পাঁচ হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে।

    একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণ রিজার্ভের পরিমাণ এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে সেই দেশের মুদ্রা কতটা শক্তিশালী তাও স্বর্ণের দামকে প্রভাবিত করে।

    ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট ফোর্বসের মতে, বাহরাইন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দুবাই, আমেরিকা এবং পেরুতে অন্যান্য দেশের তুলনায় স্বর্ণ সস্তায় পাওয়া যায়।

    তবে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি বলেই অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর থেকেও সংখ্যাটি অতিরিক্ত। যদিও এটি সঠিক নয় বলে দাবি এই খাতের ব্যবসায়ীদের।

    ওয়ার্ল গোল্ড কাউন্সিলের (স্বর্ণের বাজার মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান যার সদস্য ৩১টি স্বর্ণ খননকারী কোম্পানি) ওয়েবসাইটে ১৫ই অক্টোবর সন্ধ্যার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব বাজারে প্রতি গ্রাম (১১.৬৬ গ্রাম = ১ ভরি) স্বর্ণের মূল্য ১৩৪.৯৬ মার্কিন ডলার বা ১৬ হাজার ৪২৫ টাকা।

    একই সময়ে, ভারতে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি গ্রামের দাম ১৩৪.৭০ মার্কিন ডলার, পাকিস্তানে ১৩৬.৯৪ মার্কিন ডলার, নেপালে ১২৫.০৫ মার্কিন ডলার, মালয়েশিয়ায় ১৩১.১৪ মার্কিন ডলার, সৌদি আরবে ১২৬.৯১ ডলার এবং কাতারে ১২৭.৯৭ ডলার।

    এই সব দেশের বিপরীতে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অনেকটাই বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুসের দেওয়া সবশেষ তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৫২.৩৯ ডলার বা ১৮ হাজার ৫৪৭ টাকা।

    যদিও এই খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির সুযোগ না থাকায় অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে স্বর্ণ ক্রয়, ডলারের বিপরীতে টাকার অবনমনসহ নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়।

    বাজুসের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলছেন, "সরকার যদি স্বর্ণ আমদানি করতো বা সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি আমাদেরকে গোল্ড দিত তাহলে স্বর্ণের বাজার আরও নিয়ন্ত্রিত থাকতো। আমাদের দেশ চলে রিসাইকেল গোল্ডের ওপর, এ কারণেই হয়তো একটু ঊনিশ-বিশ হতে পারে," বলেন তিনি।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে লাগেজের আওতায় এক ভরি স্বর্ণ আনলে সরকারকে যে শুল্ক দিতে হয়, বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানি করলে তার তুলনায় অনেক বেশি শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেও দায়ী করছেন তারা।
    বিশ্বের প্রতিটি দেশে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হয়, কারণ দাম নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দেশের শুল্ক একটি বড় ভূমিকা পালন করে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আমদানি ব্যয়ে সামঞ্জস্য রাখতে অনেক দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বর্ণ আমদানিকে উৎসাহিত করে না। তবে, আপদকালীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ঠিকই রিজার্ভ করে দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানিতে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে ২০১৮ সালে স্বর্ণ নীতিমালা করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তাতে তেমন সাড়া মেলেনি। তবে ব্যাগেজ বিধিমালা অনুযায়ী, বিদেশ থেকে একজন যাত্রী বছরে মোট ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের গয়না বিনা শুল্কে আনতে পারেন। এছাড়া বছরে একবার ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি মাত্র স্বর্ণের বার আনতে পারবেন একজন যাত্রী। তবে এক্ষেত্রে প্রতি ভরিতে (১ ভরি = ১১.৬৬ গ্রাম) পাঁচ হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে। একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণ রিজার্ভের পরিমাণ এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে সেই দেশের মুদ্রা কতটা শক্তিশালী তাও স্বর্ণের দামকে প্রভাবিত করে। ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট ফোর্বসের মতে, বাহরাইন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দুবাই, আমেরিকা এবং পেরুতে অন্যান্য দেশের তুলনায় স্বর্ণ সস্তায় পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি বলেই অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর থেকেও সংখ্যাটি অতিরিক্ত। যদিও এটি সঠিক নয় বলে দাবি এই খাতের ব্যবসায়ীদের। ওয়ার্ল গোল্ড কাউন্সিলের (স্বর্ণের বাজার মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান যার সদস্য ৩১টি স্বর্ণ খননকারী কোম্পানি) ওয়েবসাইটে ১৫ই অক্টোবর সন্ধ্যার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব বাজারে প্রতি গ্রাম (১১.৬৬ গ্রাম = ১ ভরি) স্বর্ণের মূল্য ১৩৪.৯৬ মার্কিন ডলার বা ১৬ হাজার ৪২৫ টাকা। একই সময়ে, ভারতে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি গ্রামের দাম ১৩৪.৭০ মার্কিন ডলার, পাকিস্তানে ১৩৬.৯৪ মার্কিন ডলার, নেপালে ১২৫.০৫ মার্কিন ডলার, মালয়েশিয়ায় ১৩১.১৪ মার্কিন ডলার, সৌদি আরবে ১২৬.৯১ ডলার এবং কাতারে ১২৭.৯৭ ডলার। এই সব দেশের বিপরীতে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অনেকটাই বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুসের দেওয়া সবশেষ তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৫২.৩৯ ডলার বা ১৮ হাজার ৫৪৭ টাকা। যদিও এই খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির সুযোগ না থাকায় অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে স্বর্ণ ক্রয়, ডলারের বিপরীতে টাকার অবনমনসহ নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়। বাজুসের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলছেন, "সরকার যদি স্বর্ণ আমদানি করতো বা সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি আমাদেরকে গোল্ড দিত তাহলে স্বর্ণের বাজার আরও নিয়ন্ত্রিত থাকতো। আমাদের দেশ চলে রিসাইকেল গোল্ডের ওপর, এ কারণেই হয়তো একটু ঊনিশ-বিশ হতে পারে," বলেন তিনি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে লাগেজের আওতায় এক ভরি স্বর্ণ আনলে সরকারকে যে শুল্ক দিতে হয়, বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানি করলে তার তুলনায় অনেক বেশি শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেও দায়ী করছেন তারা।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 953 Views 0 önizleme
  • ধানের শীষ,নৌকা, লাঙ্গল বা দাঁড়িপাল্লা যেভাবে রাজনৈতিক দলের প্রতীক হয়ে উঠলো

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা এরই মধ্যে নিজ নিজ দলের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও নিজস্ব প্রতীকের সমর্থনে মিছিল-গণসংযোগ করতেও দেখা যাচ্ছে।

    বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলো যখন 'ধানের শীষ' বা 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীকের পক্ষে মাঠের রাজনীতিতে সরব, তখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের 'নৌকা' নেই ভোটের মাঠে। আর রাজনীতির নানা দোলাচলে ঝুলে আছে লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচনের ভবিষ্যৎ।

    আবার, কাঙ্ক্ষিত প্রতীকের দাবিতে ভোটে যাওয়া না যাওয়ার সিদ্ধান্তও আটকে আছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মতো নতুন রাজনৈতিক দলের।

    বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাস বলছে- ধানের শীষ, নৌকা, লাঙ্গল কিংবা দাঁড়িপাল্লার মতো প্রতীকগুলো ভোটের রাজনীতিতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবেই রয়ে গেছে বছরের পর বছর।
    ধানের শীষ যেভাবে বিএনপির হলো
    স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
    বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
    আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।
    বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

    ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
    বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
    ১৯৭৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন রাজনৈতিক পথ-মতের অনুসারীদের এক প্লাটফর্মে এনে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি।

    রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর বিএনপি প্রথম ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে ১৯৭৯ সালে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধানের শীষ বিএনপির আগেও ব্যবহার হয়েছিল নির্বাচনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ।

    ধানের শীষকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাপ।

    পরবর্তীতে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাপের বড় একটি অংশের যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ১৯৭৮ সালে বিএনপির জন্ম হয়। এবং এই অংশটির নেতৃত্বে ছিলেন মশিউর রহমান, তিনি যাদু মিয়া নামে পরিচিত।

    বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "ভাসানী ন্যাপের বড় অংশ যখন মশিউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিতে মিশে যায়, তখন বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নেয়। যেহেতু যাদু মিয়ার অংশই বড় ছিল, তাই তারাই ধানের শীষ প্রতীকসহ বিএনপিতে একীভূত হয়। তখন থেকেই বিএনপির প্রতীক হয় ধানের শীষ"।

    এরপর থেকে বিভিন্ন সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক হিসেবে ধানের শীষে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে বিএনপি।

    নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু বিএনপি নয় নব্বই পরবর্তী নির্বাচনগুলোয় আগে থেকেই যেসব দল যে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো- পরবর্তীতে তারা সেই প্রতীক ব্যবহার করে আসছে।

    সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা জেসমিন টুলী বিবিসি বাংলাকে বলেন, "২০০১ সালের আগে একটা নিয়ম ছিল নির্বাচনের আগে প্রতীক বরাদ্দের দিনে ইসি সব রাজনৈতিক দলের সাথে বসে তারপর প্রতীক বরাদ্দ দিতো। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলগুলো আগে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো সেই প্রতীকই তাদের বরাদ্দ দেওয়া হতো"।

    তিনি জানান, পরবর্তীতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ড. এটিএম শামছুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করে। তখন বিএনপিকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়।

    পরবর্তীতে শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, কোনো কোনো স্থানীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি প্রার্থীরা ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
    ধানের শীষ,নৌকা, লাঙ্গল বা দাঁড়িপাল্লা যেভাবে রাজনৈতিক দলের প্রতীক হয়ে উঠলো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা এরই মধ্যে নিজ নিজ দলের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও নিজস্ব প্রতীকের সমর্থনে মিছিল-গণসংযোগ করতেও দেখা যাচ্ছে। বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলো যখন 'ধানের শীষ' বা 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীকের পক্ষে মাঠের রাজনীতিতে সরব, তখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের 'নৌকা' নেই ভোটের মাঠে। আর রাজনীতির নানা দোলাচলে ঝুলে আছে লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচনের ভবিষ্যৎ। আবার, কাঙ্ক্ষিত প্রতীকের দাবিতে ভোটে যাওয়া না যাওয়ার সিদ্ধান্তও আটকে আছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মতো নতুন রাজনৈতিক দলের। বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাস বলছে- ধানের শীষ, নৌকা, লাঙ্গল কিংবা দাঁড়িপাল্লার মতো প্রতীকগুলো ভোটের রাজনীতিতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবেই রয়ে গেছে বছরের পর বছর। ধানের শীষ যেভাবে বিএনপির হলো স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা। বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে। ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল ১৯৭৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন রাজনৈতিক পথ-মতের অনুসারীদের এক প্লাটফর্মে এনে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর বিএনপি প্রথম ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে ১৯৭৯ সালে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধানের শীষ বিএনপির আগেও ব্যবহার হয়েছিল নির্বাচনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ। ধানের শীষকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাপ। পরবর্তীতে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাপের বড় একটি অংশের যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ১৯৭৮ সালে বিএনপির জন্ম হয়। এবং এই অংশটির নেতৃত্বে ছিলেন মশিউর রহমান, তিনি যাদু মিয়া নামে পরিচিত। বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "ভাসানী ন্যাপের বড় অংশ যখন মশিউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিতে মিশে যায়, তখন বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নেয়। যেহেতু যাদু মিয়ার অংশই বড় ছিল, তাই তারাই ধানের শীষ প্রতীকসহ বিএনপিতে একীভূত হয়। তখন থেকেই বিএনপির প্রতীক হয় ধানের শীষ"। এরপর থেকে বিভিন্ন সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক হিসেবে ধানের শীষে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু বিএনপি নয় নব্বই পরবর্তী নির্বাচনগুলোয় আগে থেকেই যেসব দল যে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো- পরবর্তীতে তারা সেই প্রতীক ব্যবহার করে আসছে। সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা জেসমিন টুলী বিবিসি বাংলাকে বলেন, "২০০১ সালের আগে একটা নিয়ম ছিল নির্বাচনের আগে প্রতীক বরাদ্দের দিনে ইসি সব রাজনৈতিক দলের সাথে বসে তারপর প্রতীক বরাদ্দ দিতো। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলগুলো আগে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো সেই প্রতীকই তাদের বরাদ্দ দেওয়া হতো"। তিনি জানান, পরবর্তীতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ড. এটিএম শামছুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করে। তখন বিএনপিকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়। পরবর্তীতে শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, কোনো কোনো স্থানীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি প্রার্থীরা ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 950 Views 0 önizleme
  • 0 Yorumlar 0 hisse senetleri 1 Views 0 önizleme
  • AI Detector: Understanding the Tool That Questions Digital Authorship
    Why the AI Detector Exists in the First Place The rise of automated writing didn’t happen quietly—it arrived fast and at scale. As content creation accelerated, a new question surfaced across education, publishing, and business: who—or what—wrote this? The ai detector emerged not as a policing tool, but as a response to uncertainty. An AI detector attempts to analyze...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 218 Views 0 önizleme
  • Google Pixel 8 Pro Price in UAE: A Complete 600-Word Guide
    Introduction When it comes to premium smartphones, the  Google Pixel 8 Pro price in UAE  has made a strong impression worldwide — including the United Arab Emirates (UAE). Known for its powerful performance, advanced camera system, and cutting-edge AI features, the Pixel 8 Pro continues to be one of the most sought-after flagship devices in 2025. Understanding the Google Pixel...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 206 Views 0 önizleme
  • New York Style Pizza: A Slice of American Food Culture
    Introduction New York Style Pizza  is more than just a popular food choice; it is a cultural icon recognized around the world. Known for its large, thin slices and rich flavors, this pizza style has become a symbol of New York City’s fast-paced lifestyle and diverse food scene. From street-corner pizzerias to famous restaurants, New York Style Pizza continues to win hearts with its...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 202 Views 0 önizleme