Son Güncellemeler
Kategoriler
  • ERP Software in Pakistan: Revolutionizing Business Operations for the Future
    Introduction In today's fast-paced business world, staying organized is crucial for success. That's where ERP software comes in. ERP stands for Enterprise Resource Planning, a powerful tool that helps businesses streamline their operations. If you’re running a business in Pakistan, ERP software can transform your processes, making them more efficient, cost-effective, and transparent. But...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 169 Views 0 önizleme
  • The Ultimate Guide to Pillows in Pakistan: Comfort, Quality, and Buying Tips
    The Importance of Pillows for Better Sleep Have you ever woken up with a stiff neck or sore back? Your pillow could be the culprit. Pillows Pakistan play a huge role in our sleep quality, and choosing the right one is essential for comfort and health. In Pakistan, there’s a wide range of pillow options to suit every need. Whether you're looking for something firm or soft, cooling or...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 157 Views 0 önizleme
  • Lost Mary BM6000: The Ultimate Vaping Experience for Beginners and Enthusiasts
     Lost Mary BM6000: A High-Performance Disposable Vape for Maximum Flavor and Convenience The vaping industry continues to evolve, offering users innovative and high-quality devices designed for a smoother and more enjoyable experience. Among the most popular options in the market today is the Lost Mary BM6000 vaping device. Known for its impressive performance and ease of use, this...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 176 Views 0 önizleme
  • Thermal Paper: A High-Quality, Cost-Effective Printing Solution
    Introduction Thermal printer paper is an essential component in many modern printing applications, particularly in industries like retail, hospitality, and logistics. Whether you're printing receipts, labels, or tickets, thermal paper offers speed, reliability, and quality that traditional printing methods can't match. Here's everything you need to know about thermal paper and why it's a...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 173 Views 0 önizleme
  • Small Wedding Venues Northern California: Intimate Celebrations with Stunning Scenery
    Introduction Planning a wedding is a deeply personal journey, and many couples today are choosing intimate ceremonies over large-scale events. Small wedding venues  Northern California have become especially popular for couples who want a meaningful celebration surrounded by natural beauty, charm, and character. From coastal cliffs to vineyard estates and forest hideaways, Northern...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 176 Views 0 önizleme
  • New York Style Pizza: A Slice of American Food Culture
    Introduction New York Style Pizza  is more than just a popular food choice; it is a cultural icon recognized around the world. Known for its large, thin slices and rich flavors, this pizza style has become a symbol of New York City’s fast-paced lifestyle and diverse food scene. From street-corner pizzerias to famous restaurants, New York Style Pizza continues to win hearts with its...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 170 Views 0 önizleme
  • Google Pixel 8 Pro Price in UAE: A Complete 600-Word Guide
    Introduction When it comes to premium smartphones, the  Google Pixel 8 Pro price in UAE  has made a strong impression worldwide — including the United Arab Emirates (UAE). Known for its powerful performance, advanced camera system, and cutting-edge AI features, the Pixel 8 Pro continues to be one of the most sought-after flagship devices in 2025. Understanding the Google Pixel...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 177 Views 0 önizleme
  • AI Detector: Understanding the Tool That Questions Digital Authorship
    Why the AI Detector Exists in the First Place The rise of automated writing didn’t happen quietly—it arrived fast and at scale. As content creation accelerated, a new question surfaced across education, publishing, and business: who—or what—wrote this? The ai detector emerged not as a policing tool, but as a response to uncertainty. An AI detector attempts to analyze...
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 189 Views 0 önizleme
  • ধানের শীষ,নৌকা, লাঙ্গল বা দাঁড়িপাল্লা যেভাবে রাজনৈতিক দলের প্রতীক হয়ে উঠলো

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা এরই মধ্যে নিজ নিজ দলের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও নিজস্ব প্রতীকের সমর্থনে মিছিল-গণসংযোগ করতেও দেখা যাচ্ছে।

    বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলো যখন 'ধানের শীষ' বা 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীকের পক্ষে মাঠের রাজনীতিতে সরব, তখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের 'নৌকা' নেই ভোটের মাঠে। আর রাজনীতির নানা দোলাচলে ঝুলে আছে লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচনের ভবিষ্যৎ।

    আবার, কাঙ্ক্ষিত প্রতীকের দাবিতে ভোটে যাওয়া না যাওয়ার সিদ্ধান্তও আটকে আছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মতো নতুন রাজনৈতিক দলের।

    বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাস বলছে- ধানের শীষ, নৌকা, লাঙ্গল কিংবা দাঁড়িপাল্লার মতো প্রতীকগুলো ভোটের রাজনীতিতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবেই রয়ে গেছে বছরের পর বছর।
    ধানের শীষ যেভাবে বিএনপির হলো
    স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
    বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
    আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।
    বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

    ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
    বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
    ১৯৭৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন রাজনৈতিক পথ-মতের অনুসারীদের এক প্লাটফর্মে এনে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি।

    রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর বিএনপি প্রথম ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে ১৯৭৯ সালে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধানের শীষ বিএনপির আগেও ব্যবহার হয়েছিল নির্বাচনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ।

    ধানের শীষকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাপ।

    পরবর্তীতে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাপের বড় একটি অংশের যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ১৯৭৮ সালে বিএনপির জন্ম হয়। এবং এই অংশটির নেতৃত্বে ছিলেন মশিউর রহমান, তিনি যাদু মিয়া নামে পরিচিত।

    বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "ভাসানী ন্যাপের বড় অংশ যখন মশিউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিতে মিশে যায়, তখন বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নেয়। যেহেতু যাদু মিয়ার অংশই বড় ছিল, তাই তারাই ধানের শীষ প্রতীকসহ বিএনপিতে একীভূত হয়। তখন থেকেই বিএনপির প্রতীক হয় ধানের শীষ"।

    এরপর থেকে বিভিন্ন সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক হিসেবে ধানের শীষে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে বিএনপি।

    নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু বিএনপি নয় নব্বই পরবর্তী নির্বাচনগুলোয় আগে থেকেই যেসব দল যে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো- পরবর্তীতে তারা সেই প্রতীক ব্যবহার করে আসছে।

    সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা জেসমিন টুলী বিবিসি বাংলাকে বলেন, "২০০১ সালের আগে একটা নিয়ম ছিল নির্বাচনের আগে প্রতীক বরাদ্দের দিনে ইসি সব রাজনৈতিক দলের সাথে বসে তারপর প্রতীক বরাদ্দ দিতো। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলগুলো আগে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো সেই প্রতীকই তাদের বরাদ্দ দেওয়া হতো"।

    তিনি জানান, পরবর্তীতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ড. এটিএম শামছুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করে। তখন বিএনপিকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়।

    পরবর্তীতে শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, কোনো কোনো স্থানীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি প্রার্থীরা ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
    ধানের শীষ,নৌকা, লাঙ্গল বা দাঁড়িপাল্লা যেভাবে রাজনৈতিক দলের প্রতীক হয়ে উঠলো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা এরই মধ্যে নিজ নিজ দলের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও নিজস্ব প্রতীকের সমর্থনে মিছিল-গণসংযোগ করতেও দেখা যাচ্ছে। বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলো যখন 'ধানের শীষ' বা 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীকের পক্ষে মাঠের রাজনীতিতে সরব, তখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের 'নৌকা' নেই ভোটের মাঠে। আর রাজনীতির নানা দোলাচলে ঝুলে আছে লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচনের ভবিষ্যৎ। আবার, কাঙ্ক্ষিত প্রতীকের দাবিতে ভোটে যাওয়া না যাওয়ার সিদ্ধান্তও আটকে আছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মতো নতুন রাজনৈতিক দলের। বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাস বলছে- ধানের শীষ, নৌকা, লাঙ্গল কিংবা দাঁড়িপাল্লার মতো প্রতীকগুলো ভোটের রাজনীতিতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবেই রয়ে গেছে বছরের পর বছর। ধানের শীষ যেভাবে বিএনপির হলো স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা। বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে। ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল ১৯৭৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন রাজনৈতিক পথ-মতের অনুসারীদের এক প্লাটফর্মে এনে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর বিএনপি প্রথম ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে ১৯৭৯ সালে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধানের শীষ বিএনপির আগেও ব্যবহার হয়েছিল নির্বাচনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ। ধানের শীষকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাপ। পরবর্তীতে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাপের বড় একটি অংশের যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ১৯৭৮ সালে বিএনপির জন্ম হয়। এবং এই অংশটির নেতৃত্বে ছিলেন মশিউর রহমান, তিনি যাদু মিয়া নামে পরিচিত। বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "ভাসানী ন্যাপের বড় অংশ যখন মশিউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিতে মিশে যায়, তখন বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নেয়। যেহেতু যাদু মিয়ার অংশই বড় ছিল, তাই তারাই ধানের শীষ প্রতীকসহ বিএনপিতে একীভূত হয়। তখন থেকেই বিএনপির প্রতীক হয় ধানের শীষ"। এরপর থেকে বিভিন্ন সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক হিসেবে ধানের শীষে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু বিএনপি নয় নব্বই পরবর্তী নির্বাচনগুলোয় আগে থেকেই যেসব দল যে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো- পরবর্তীতে তারা সেই প্রতীক ব্যবহার করে আসছে। সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা জেসমিন টুলী বিবিসি বাংলাকে বলেন, "২০০১ সালের আগে একটা নিয়ম ছিল নির্বাচনের আগে প্রতীক বরাদ্দের দিনে ইসি সব রাজনৈতিক দলের সাথে বসে তারপর প্রতীক বরাদ্দ দিতো। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলগুলো আগে যে প্রতীকে নির্বাচন করতো সেই প্রতীকই তাদের বরাদ্দ দেওয়া হতো"। তিনি জানান, পরবর্তীতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ড. এটিএম শামছুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করে। তখন বিএনপিকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়। পরবর্তীতে শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, কোনো কোনো স্থানীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি প্রার্থীরা ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 925 Views 0 önizleme
  • বিশ্বের প্রতিটি দেশে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হয়, কারণ দাম নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দেশের শুল্ক একটি বড় ভূমিকা পালন করে।

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আমদানি ব্যয়ে সামঞ্জস্য রাখতে অনেক দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বর্ণ আমদানিকে উৎসাহিত করে না। তবে, আপদকালীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ঠিকই রিজার্ভ করে দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানিতে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে ২০১৮ সালে স্বর্ণ নীতিমালা করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তাতে তেমন সাড়া মেলেনি।

    তবে ব্যাগেজ বিধিমালা অনুযায়ী, বিদেশ থেকে একজন যাত্রী বছরে মোট ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের গয়না বিনা শুল্কে আনতে পারেন।

    এছাড়া বছরে একবার ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি মাত্র স্বর্ণের বার আনতে পারবেন একজন যাত্রী। তবে এক্ষেত্রে প্রতি ভরিতে (১ ভরি = ১১.৬৬ গ্রাম) পাঁচ হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে।

    একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণ রিজার্ভের পরিমাণ এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে সেই দেশের মুদ্রা কতটা শক্তিশালী তাও স্বর্ণের দামকে প্রভাবিত করে।

    ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট ফোর্বসের মতে, বাহরাইন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দুবাই, আমেরিকা এবং পেরুতে অন্যান্য দেশের তুলনায় স্বর্ণ সস্তায় পাওয়া যায়।

    তবে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি বলেই অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর থেকেও সংখ্যাটি অতিরিক্ত। যদিও এটি সঠিক নয় বলে দাবি এই খাতের ব্যবসায়ীদের।

    ওয়ার্ল গোল্ড কাউন্সিলের (স্বর্ণের বাজার মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান যার সদস্য ৩১টি স্বর্ণ খননকারী কোম্পানি) ওয়েবসাইটে ১৫ই অক্টোবর সন্ধ্যার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব বাজারে প্রতি গ্রাম (১১.৬৬ গ্রাম = ১ ভরি) স্বর্ণের মূল্য ১৩৪.৯৬ মার্কিন ডলার বা ১৬ হাজার ৪২৫ টাকা।

    একই সময়ে, ভারতে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি গ্রামের দাম ১৩৪.৭০ মার্কিন ডলার, পাকিস্তানে ১৩৬.৯৪ মার্কিন ডলার, নেপালে ১২৫.০৫ মার্কিন ডলার, মালয়েশিয়ায় ১৩১.১৪ মার্কিন ডলার, সৌদি আরবে ১২৬.৯১ ডলার এবং কাতারে ১২৭.৯৭ ডলার।

    এই সব দেশের বিপরীতে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অনেকটাই বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুসের দেওয়া সবশেষ তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৫২.৩৯ ডলার বা ১৮ হাজার ৫৪৭ টাকা।

    যদিও এই খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির সুযোগ না থাকায় অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে স্বর্ণ ক্রয়, ডলারের বিপরীতে টাকার অবনমনসহ নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়।

    বাজুসের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলছেন, "সরকার যদি স্বর্ণ আমদানি করতো বা সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি আমাদেরকে গোল্ড দিত তাহলে স্বর্ণের বাজার আরও নিয়ন্ত্রিত থাকতো। আমাদের দেশ চলে রিসাইকেল গোল্ডের ওপর, এ কারণেই হয়তো একটু ঊনিশ-বিশ হতে পারে," বলেন তিনি।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে লাগেজের আওতায় এক ভরি স্বর্ণ আনলে সরকারকে যে শুল্ক দিতে হয়, বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানি করলে তার তুলনায় অনেক বেশি শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেও দায়ী করছেন তারা।
    বিশ্বের প্রতিটি দেশে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হয়, কারণ দাম নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দেশের শুল্ক একটি বড় ভূমিকা পালন করে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আমদানি ব্যয়ে সামঞ্জস্য রাখতে অনেক দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বর্ণ আমদানিকে উৎসাহিত করে না। তবে, আপদকালীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ঠিকই রিজার্ভ করে দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানিতে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে ২০১৮ সালে স্বর্ণ নীতিমালা করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তাতে তেমন সাড়া মেলেনি। তবে ব্যাগেজ বিধিমালা অনুযায়ী, বিদেশ থেকে একজন যাত্রী বছরে মোট ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের গয়না বিনা শুল্কে আনতে পারেন। এছাড়া বছরে একবার ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি মাত্র স্বর্ণের বার আনতে পারবেন একজন যাত্রী। তবে এক্ষেত্রে প্রতি ভরিতে (১ ভরি = ১১.৬৬ গ্রাম) পাঁচ হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে। একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণ রিজার্ভের পরিমাণ এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে সেই দেশের মুদ্রা কতটা শক্তিশালী তাও স্বর্ণের দামকে প্রভাবিত করে। ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট ফোর্বসের মতে, বাহরাইন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দুবাই, আমেরিকা এবং পেরুতে অন্যান্য দেশের তুলনায় স্বর্ণ সস্তায় পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি বলেই অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর থেকেও সংখ্যাটি অতিরিক্ত। যদিও এটি সঠিক নয় বলে দাবি এই খাতের ব্যবসায়ীদের। ওয়ার্ল গোল্ড কাউন্সিলের (স্বর্ণের বাজার মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান যার সদস্য ৩১টি স্বর্ণ খননকারী কোম্পানি) ওয়েবসাইটে ১৫ই অক্টোবর সন্ধ্যার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব বাজারে প্রতি গ্রাম (১১.৬৬ গ্রাম = ১ ভরি) স্বর্ণের মূল্য ১৩৪.৯৬ মার্কিন ডলার বা ১৬ হাজার ৪২৫ টাকা। একই সময়ে, ভারতে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি গ্রামের দাম ১৩৪.৭০ মার্কিন ডলার, পাকিস্তানে ১৩৬.৯৪ মার্কিন ডলার, নেপালে ১২৫.০৫ মার্কিন ডলার, মালয়েশিয়ায় ১৩১.১৪ মার্কিন ডলার, সৌদি আরবে ১২৬.৯১ ডলার এবং কাতারে ১২৭.৯৭ ডলার। এই সব দেশের বিপরীতে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম অনেকটাই বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুসের দেওয়া সবশেষ তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৫২.৩৯ ডলার বা ১৮ হাজার ৫৪৭ টাকা। যদিও এই খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির সুযোগ না থাকায় অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে স্বর্ণ ক্রয়, ডলারের বিপরীতে টাকার অবনমনসহ নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়। বাজুসের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলছেন, "সরকার যদি স্বর্ণ আমদানি করতো বা সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি আমাদেরকে গোল্ড দিত তাহলে স্বর্ণের বাজার আরও নিয়ন্ত্রিত থাকতো। আমাদের দেশ চলে রিসাইকেল গোল্ডের ওপর, এ কারণেই হয়তো একটু ঊনিশ-বিশ হতে পারে," বলেন তিনি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে লাগেজের আওতায় এক ভরি স্বর্ণ আনলে সরকারকে যে শুল্ক দিতে হয়, বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানি করলে তার তুলনায় অনেক বেশি শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেও দায়ী করছেন তারা।
    0 Yorumlar 0 hisse senetleri 928 Views 0 önizleme
Daha Hikayeler